Skip to main content

ফরিদ আলী ছিলেন একজন বাংলাদেশী বর্ষীয়ান অভিনেতা

 ফরিদ আলী ছিলেন একজন বাংলাদেশী বর্ষীয়ান অভিনেতা। 

তার জন্ম ১৯৪৫ সালের ৭ এপ্রিল, ঢাকায়। ১৯৫৬ সালে এস.এস.সি পরীক্ষা দেবার কথা থাকলেও তা আর শেষ পর্যন্ত দেয়া হয়নি।


১৯৬২ সালে শহীদুল আমীনের লেখা "কনে দেখা" নাটকে অভিনয় দিয়ে তার অভিনয়যাত্রা শুরু হয়। পরে ১৯৬৪ সালে মুনীর চৌধুরী রচিত একতালা দুতলা টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেন। তার লেখা প্রথম টেলিভিশন নাটক নবজন্ম। ১৯৬৬ সালে আমজাদ হোসেনের ধারাপাত ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ফরিদ আলীর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়।


ফরিদ আলী দীর্ঘদিন ফুসফুস, হৃদযন্ত্রসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগে ২০১৬ সালের ২২ আগস্ট ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এ মৃত্যুবরণ করেন।

আজ তার মৃত্যুবার্ষিকী। আজকের এই দিনে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

Comments

Popular posts from this blog

সূরা ফাতেহার তাফসির

 সূরা ফাতেহার তাফসির   أَعُوْذُ بِاللّٰهِ (আঊযুবিল্লাহ)-এর প্রাসঙ্গিক আলোচনা কুমন্ত্রণাদানকারী শয়তান হতে মহান আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাওয়া প্রতিটি মু’মিন-মুসলিমের একান্ত কর্তব্য। কারণ আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করার পর হতে শয়তান মানুষের অনিষ্ট করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন: (لَأَقْعُدَنَّ لَهُمْ صِرَاطَكَ الْمُسْتَقِيْمَ) (শয়তান বলল:) “আমি (বানী আদমকে বিভ্রান্ত করার জন্য) আপনার সরল পথে অবশ্যই বসে থাকব।”(সূরা আ‘রাফ ৭:১৬) তাই শয়তানের অনিষ্ট থেকে বেঁচে থাকার জন্য الاستعاذة বা আঊযুবিল্লাহ পাঠ করার গুরুত্ব অপরিসীম। আঊযুবিল্লাহ পাঠ: আল্লাহ তা‘আলা বলেন: (وَقُلْ رَّبِّ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ هَمَزٰتِ الشَّيٰطِيْنِ وَأَعُوْذُ بِكَ رَبِّ أَنْ يَّحْضُرُوْنِ) ‏ “বল:‎ হে আমার প্রতিপালক! আমি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি সকল শয়তানের প্ররোচনা হতে, আর হে আমার প্রতিপালক! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি আমার নিকট তাদের উপস্থিতি হতে।”(সূরা মু’মিনুন ২৩:৯৭-৯৮) আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন: (وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطٰنِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ...

সূরা ফালাকের তাফসীর

 সূরা ফালাকের তাফসীরঃ নামকরণ: সূরা ফালাক ও সূরা নাস উভয় সূরার নামকরণ করা হয়েছে সূরার প্রথম আয়াতে উল্লিখিত শব্দ থেকে। ফালাক (الفلق) শব্দের অর্থ : প্রভাতকাল। আর নাস (النَّاس) অর্থ : মানুষ। এ দুই সূরাকে একত্রে معوذتان বা আশ্রয় প্রার্থনা করার দুই সূরা বলা হয়। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) জাদুগ্রস্থ হওয়ার পর এ সূরাদ্বয় দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা হলে আল্লাহ তা‘আলার রহমতে তিনি সুস্থ হন, তাই এ নামেও এ সূরাদ্বয় পরিচিত। শানে নুযূল: মা আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, মদীনার ইয়াহূদী গোত্র বনু যুরাইকের মিত্র লাবীদ বিন আসাম নামক জনৈক মুনাফিক তার মেয়েকে দিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর মাথার ছিন্নচুল ও চিরুনীর ছিন্ন দাঁত চুরি করে এনে তাতে জাদু করে এবং মন্ত্র পাঠ করে চুলে ১১টি গিরা দেয়। এর প্রভাবে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কোন কাজ করলে ভুলে যেতেন ও ভাবতেন যে করেননি। অন্য বর্ণনা মতে ৪০ দিন বা ৬ মাস এভাবে থাকেন। এক রাতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) স্বপ্নে দেখেন যে, দু’জন লোক এসে একজন তাঁর মাথার কাছে অন্যজন পায়ের কাছে বসে। অতঃপর তারা বলে যে, বনু যুরাইকের খেজুর বাগানে যারওয়ান কূয়ার তলদেশে পাথরের নীচে চাপা দেয়া খেজুরের কাঁদির শুকনো খোস...